• ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ৩০ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Traffic

রাজ্য

টায়ার সারাইয়ের কর্মীর বাড়িতে হঠাৎ তল্লাশি, তারপর যা জানা গেল তাতেই স্তম্ভিত গোটা এলাকা

সোমবার সকালে দুর্গাপুরের নিউ স্টিল পার্ক এলাকায় হঠাৎ কয়েকটি সাদা গাড়ি এসে থামে। গাড়ি থেকে নেমে কয়েকজন আধিকারিক স্থানীয়দের কাছে গোলাম জামার বাড়ির খোঁজ জানতে চান। প্রথমে কেউ বুঝতে পারেননি তাঁরা তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিক। পরে বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় ভিড় জমে যায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছান বহু মানুষ ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও।এরপর গোলাম জামার ভাড়াবাড়িতে তল্লাশি শুরু করে তদন্তকারী সংস্থা। বাড়ির বাইরে মোতায়েন করা হয় নিরাপত্তা বাহিনী। তদন্তকারী দলের সঙ্গে একজন মহিলা আধিকারিকও ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, প্রায় তিন বছর ধরে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে ওই এলাকায় ভাড়া থাকতেন গোলাম জামা। তিনি অন্ডাল এলাকায় একটি টায়ার সারাইয়ের দোকানে কাজ করতেন। প্রতিবেশীদের কথায়, তিনি খুব বেশি মেলামেশা করতেন না। তবে এলাকাবাসীর দাবি, মধ্যপ্রাচ্য ও মালয়েশিয়ার কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল। সেই যোগাযোগের উদ্দেশ্য কী ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, কাজের প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে বিদেশে পাঠানোর সঙ্গে গোলাম জামার যোগ থাকতে পারে। পাশাপাশি জাল পাসপোর্ট চক্রের সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, জাল নথির সাহায্যে বিভিন্ন ব্যক্তিকে বিদেশে পাঠানো হত এবং সেখানে তাঁদের নাশকতামূলক কাজে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা ছিল।এর আগে একই মামলায় ছত্তীসগঢ় থেকে দুই জনকে গ্রেফতার করেছিলেন তদন্তকারীরা। সেই তদন্তেই গোলাম জামার নাম সামনে আসে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার। তদন্তকারীদের দাবি, বেশ কিছু দিন ধরেই তাঁর গতিবিধির উপর নজর রাখা হচ্ছিল। তবে এই সমস্ত অভিযোগের তদন্ত এখনও চলছে এবং এ বিষয়ে আদালতে চূড়ান্ত রায় এখনও হয়নি।

জুলাই ২৭, ২০২৬
রাজ্য

চটের ব্যাগে লুকিয়ে ছিল মৃত্যুর খেলা! সালোয়ার পরা মহিলার কাছ থেকে উদ্ধার অস্ত্রভাণ্ডার

সাধারণ সুতির সালোয়ার-কামিজ, হাতে একটি চটের ব্যাগ, কাঁধে আরেকটি ব্যাগ। দেখে মনে হওয়ার কোনও উপায় ছিল না, ওই মহিলার কাছেই লুকিয়ে রয়েছে বিপুল অস্ত্রভাণ্ডার। কিন্তু গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তাঁর পিছু নিয়েছিল সিআইডি। শেষ পর্যন্ত নৈহাটি রোড ধরে অশোকনগরের ৮ নম্বর এলাকায় তাঁকে আটক করা হয়।ধৃত মহিলার নাম পূজা বিশ্বাস। তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৬টি স্টার লোগোযুক্ত ৭ এমএম পিস্তল, ২০০ রাউন্ড কার্তুজ এবং নগদ টাকা। তদন্তে জানা গিয়েছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্র পাচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।সিআইডি সূত্রে খবর, পূজা বিহার থেকে পশ্চিমবঙ্গে অস্ত্র নিয়ে আসতেন এবং উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায় সেই অস্ত্র পৌঁছে দিতেন। এরপর সেগুলি সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পাচার করা হত বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের।এটাই প্রথম নয়। ২০২৩ সালে দত্তপুকুর থানার এলাকায় একটি বাস থেকে পূজা বিশ্বাসকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেবারও তাঁর কাছ থেকে অস্ত্র ও কার্তুজ উদ্ধার হয়। কিছুদিন জেল খাটার পর তিনি ফের একই কারবারে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, পূজা তাঁর বর্তমান স্বামী নীলরতনের নির্দেশে এই কাজ করতেন। নীলরতন গোপালনগর এলাকার বাসিন্দা এবং কাপড়ের ব্যবসা করেন। তবে তদন্তকারীদের অভিযোগ, সেই ব্যবসার আড়ালেই চলত অস্ত্র পাচারের চক্র। বর্তমানে তাঁর খোঁজে তল্লাশি চলছে।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বিহারের মুঙ্গের থেকে অস্ত্র এনে বনগাঁ সীমান্ত হয়ে বাংলাদেশে পাচার করা হত। এই ঘটনার সঙ্গে একটি বড় আন্তঃরাজ্য পাচারচক্র জড়িত থাকতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

জুলাই ১৯, ২০২৬
কলকাতা

নেপাল থেকে চাকরির টোপ, শেষে সোনাগাছিতে বিক্রি! কলকাতায় ভয়ঙ্কর নারী পাচার চক্র ফাঁস

কলকাতায় ফের সামনে এল নারী পাচারের ভয়ঙ্কর চক্র। কাজের প্রলোভন দেখিয়ে নেপাল থেকে কলকাতায় এনে তিন তরুণীকে সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত মহিলার নাম শোভা তামাং। তিনি সোনাগাছির একটি বাড়ির দেখভাল করতেন। ওই বাড়িতে বহু নেপালি যৌনকর্মী থাকতেন বলেই জানা গিয়েছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই নেপাল থেকে তরুণীদের কলকাতায় আনার ফাঁদ পাতা হয়েছিল বলে পুলিশের সন্দেহ।অভিযোগ, কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নেপালের তিন তরুণীকে কলকাতায় আনা হয়। কিন্তু শহরে পৌঁছনোর পর তাঁদের সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়া হয়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রবিবার বিকেলে অভিযান চালায় লালবাজারের গোয়েন্দারা। প্রথমে সন্দেহভাজন বাড়িটি চিহ্নিত করা হয়। পরে সেখানে হানা দিয়ে উদ্ধার করা হয় তিন তরুণীকে। গ্রেপ্তার করা হয় শোভা তামাংকে।পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে, নেপালের কোন এলাকা থেকে ওই তরুণীদের আনা হয়েছিল এবং কার মাধ্যমে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কীভাবে এই পাচার চক্র কাজ করছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যেই নেপালের দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে লালবাজার।তদন্তকারীদের অনুমান, নারী পাচার চক্রের সদস্যরা নেপালের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে কাজের লোভ দেখিয়ে মেয়েদের এই রাজ্যে নিয়ে আসছে। তারপর তাঁদের জোর করে যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে।উল্লেখ্য, প্রায় আট মাস আগে বড়তলা থানা এলাকাতেও বড়সড় নারী পাচার চক্রের পর্দাফাঁস হয়েছিল। তখন একটি বাড়ি থেকে ৯ নাবালিকা-সহ মোট ১১ জনকে উদ্ধার করেছিল পুলিশ। ফের একই ধরনের ঘটনার সামনে আসায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে শহরে।এই চক্রের সঙ্গে এ রাজ্যের আর কারা জড়িত, ভিনরাজ্যের কোনও বড় পাচারচক্রের যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ধৃত মহিলাকে জেরা করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে।

মে ২৫, ২০২৬
কলকাতা

এক বছরের অচলাবস্থার অবসান? চিংড়িহাটায় মেট্রো কাজ নিয়ে বড় আপডেট

অবশেষে আশার আলো দেখা গেল কবি সুভাষকলকাতা বিমানবন্দর (জয় হিন্দ) মেট্রো প্রকল্পের দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কাজ নিয়ে। চিংড়িহাটায় প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ ছিল মেট্রোর কাজ। নানা অজুহাতে সেই কাজ এগোনো সম্ভব হচ্ছিল না। তবে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ কড়া মনোভাব দেখানোর পরেই সমস্যার সমাধানের পথ খুঁজে বার করল কলকাতা পুলিশ।মেট্রোর কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে উত্তরমুখী, অর্থাৎ সাইন্স সিটির দিক থেকে উল্টোডাঙাগামী যান চলাচলের জন্য নতুন রাস্তা খুলে দেওয়া হয়েছে। ক্যাপ্টেন ভেড়ির লাগোয়া অংশ দিয়ে প্রায় ৪৫০ মিটার রাস্তা ঘুরিয়ে চিংড়িহাটা উড়ালপুল পেরিয়ে গাড়ি বের করানো শুরু হয়েছে। এর ফলে মেট্রোর করিডরের নীচ দিয়ে তৈরি হয়ে থাকা রাস্তা অবশেষে যান চলাচলের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এই রাস্তা কয়েক মাস আগেই তৈরি হয়ে গিয়েছিল। চিংড়িহাটা উড়ালপুলে ওঠার আগেই রাস্তাটিকে দুভাগে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। উল্টোডাঙা ট্রাফিক গার্ড সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার থেকে বাস এবং মালবাহী যানগুলি ক্যাপ্টেন ভেড়ির সামনে দিয়ে ঢুকে চিংড়িহাটার দিকে বেরোবে। বাইক, ট্যাক্সি এবং ছোট গাড়িগুলি আগের মতোই ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাস ব্যবহার করবে।চিংড়িহাটা মেট্রোর মাত্র ৩৬৬ মিটার কাজের জন্য দীর্ঘদিন ধরে রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড এবং কলকাতা মেট্রোর তরফে রাজ্য প্রশাসন ও কলকাতা পুলিশের কাছে একাধিকবার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাসের চিংড়িহাটা অংশে অন্তত তিন রাত রাস্তা বন্ধ রাখার আবেদনও করা হয়। কিন্তু কোনও অনুরোধেই কাজ না হওয়ায় বিষয়টি গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে।এরপরই প্রধান বিচারপতি রাজ্য প্রশাসন ও কলকাতা পুলিশকে প্রকাশ্যে ভর্ৎসনা করেন এবং ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সমস্ত জটিলতা মেটানোর নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশের পরেই দীর্ঘদিন আগে তৈরি হয়ে থাকা রাস্তা যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হল।কলকাতা পুলিশের কমিশনার মনোজ ভার্মা জানিয়েছেন, কলকাতা মেট্রোর সঙ্গে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং সমস্যার স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা চলছে। ট্রাফিক পুলিশের দাবি, নতুন ডাইভারশন চালু হওয়ায় ব্যস্ত সময়েও চিংড়িহাটা ফ্লাইওভারে ওঠার মুখ ফাঁকা থাকবে। পাশাপাশি রাতে রাস্তা বন্ধ করলেও যান চলাচলে বড় সমস্যা হবে না।যদিও উত্তরমুখী রাস্তার সমাধান মিলেছে, তবে দক্ষিণমুখী অর্থাৎ সাইন্স সিটি বা গড়িয়াগামী যান চলাচল কোন পথে ঘোরানো হবে, তা নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে বলে কলকাতা ট্রাফিক সূত্রে খবর।

জানুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

একবছর পর রাজস্থান থেকে উদ্ধার নাবালিকা, অভিযুক্তকেও বর্ধমানে নিয়ে এল পুলিশ

এক বছর এক মাস। অভিযোগের পর অনেকটা সময় পেরিয়ে গিয়েছিল। গলসি থানায় অভিযোগ হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ ছিল, ১৭ বছরের নাবালিকা মেয়ে বাড়ি থেকে কাউকে কিছু না বলে চলে যায়। এই অভিযোগের ভিত্তিতে গলসি থানাতে একটি মামলা রুজু হয়। ২০২৩ সাল থেকে বিভিন্নভাবে মেয়েটিকে গলসি থানার তদন্তকারী অফিসার খোঁজার চেষ্টা করেন, কিন্তু প্রাথমিকভাবে কোনও হদিশ পাওয়া যায়নি। তা সত্ত্বেও তদন্তকারী অফিসাররা হাল ছাড়েননি।গত ৪ ডিসেম্বর পুলিশ সুপারের অনুমতি নিয়ে রাজস্থান এর উদেশ্যে পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ টিম রওনা দেয়। গত ৭ ডিসেম্বর স্থানীয় পালরি- এম থানার সহায়তায় যোধপুর স্টেশন থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পোশালিয়া গ্রাম থেকে তদন্তকারী অফিসাররা ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে এবং আসামিকে গ্রেপ্তার করেন। আজ, মঙ্গলবার নাবালিকা এবং আসামিকে পূর্ব বর্ধমানে ফিরিয়ে আনা হয়। আগামীকাল, বুধবার আসামি এবং উক্ত নাবালিকাকে পূর্ব বর্ধমান জেলা আদালতে নিয়ে যাওয়া হবে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৪
রাজ্য

হাতির দাঁত পাচার কাণ্ডে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা! কটক্ষ বিজেপির সুকান্ত মজুমদারের

বিহারের বক্সার থেকে গ্রেফতার হয়েছেন কলকাতার ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অশোক ওঝা। ২০ কিলো ওজনের হাতির দাঁত পাচার সংক্রান্ত মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করেছে বিহার পুলিশ। বিজেপি এই ঘটনায় কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূলকে। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন এটা বাংলার লজ্জা।সুকান্ত মজুমদার টুইটে বলেন, বাংলার লজ্জা তৃণমূল! বিহার পুলিশের গোপন অভিযানে গ্রেফতার কলকাতার ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতা (ব্লক সভাপতি) অশোক ওঝা। কয়লা, বালি, গরু পাচারের পর এবার হাতির দাঁত পাচারেও যে তৃণমূলের কাটমানিখোর নেতারা সিদ্ধহস্ত, তা প্রতিবেশী রাজ্যেই প্রমাণিত হয়ে গেলো। এই লজ্জা কোথায় লুকোবেন দিদিবাংলার লজ্জা তৃণমূল! বিহার পুলিশের গোপন অভিযানে গ্রেফতার কলকাতার ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতা (ব্লক সভাপতি) অশোক ওঝা। কয়লা, বালি, গরু পাচারের পর এবার হাতির দাঁত পাচারেও যে তৃণমূলের কাটমানিখোর নেতারা সিদ্ধহস্ত, তা প্রতিবেশী রাজ্যেই প্রমাণিত হয়ে গেলো। এই লজ্জা কোথায় লুকোবেন pic.twitter.com/qZDNYpox6u Dr. Sukanta Majumdar (@DrSukantaBJP) October 22, 2024

অক্টোবর ২৩, ২০২৪
কলকাতা

ট্রাফিক পুলিশ না তো ভগবানের দূত! সিবিএসসি পরীক্ষার্থী কোনক্রমে........

সিবিএসসি বোর্ডের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় নিজের বাইকে করে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দিলেন কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার।নারায়ণপুরের বাসিন্দা এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী দমদম কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার সময় লক্ষ্য করে অ্যাডমিট কার্ড বাড়িতে ফেলে এসেছে। এরপর সেই অ্যাডমিট কার্ড বাড়ি থেকে নিয়ে কৈখালি পর্যন্ত এসে পৌঁছলে ততক্ষণে অনেক দেরী হয়ে যায়। এরপর কৈখালি ট্রাফিকে কর্মরত বিধাননগর পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর পার্থ দত্ত তার নিজের মেটর সাইকেলে করে ওই পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়। যদিও পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছানোর নির্ধারিত সময় দশটা পনেরোয়। সেই সময় অতিক্রান্ত হয়ে যাওয়ার ফলে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। এরপরই ওই অফিসার পার্থ দত্ত পরীক্ষা কেন্দ্রে থাকা শিক্ষকদেরকে গোটা ঘটনা জানায়। তারপরেই পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারে নারায়নপুরের বাসিন্দা ওই পরীক্ষার্থী।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৪
রাজ্য

বিরল প্রজাতির পাঁচটি কচ্ছপ সহ দুই মহিলা পাচারকারী আটক

বিরল প্রজাতির পাঁচটি কচ্ছপ সহ দুই মহিলা পাচারকারীকে গ্রেফতার করল মালদা টাউন রেল পুলিশ। বিহারের সাহেবগঞ্জ থেকেই ওই কচ্ছপগুলি বস্তাবন্দী করে মালদার অথবা দক্ষিণ দিনাজপুরের সীমান্তের ওপারে পাচার করার পরিকল্পনা ছিল মহিলা পাচারকারীদের বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে রেল পুলিশ। উদ্ধার হওয়া কচ্ছপগুলি পূর্ণবয়স্ক এবং একেকটির ওজন প্রায় ১৫ থেকে ২০ কেজি। ফলে এই ধরনের পূর্ণবয়স্ক কচ্ছপের তেল, চর্বি, হড় বিভিন্ন মাদক তৈরির অথবা উত্তেজক পদার্থ তৈরীর ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়ে যায় থাকে বলেও জানিয়েছে রেল পুলিশের একাংশ কর্তারা। যদিও টাকার বিনিময়ে ওই দুই মহিলা ক্যারিয়ার হিসেবেই কচ্ছপগুলিকে পাচার করার পরিকল্পনা নিয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। ধৃতদের সোমবার মালদা আদালতে পেশ করেছে পুলিশ।রেল পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত দুই মধ্য বয়স্ক মহিলার নাম মিনাদেবী এবং লাখোদেবী। এদের বাড়ি বিহারের ভাগলপুরে। ধৃতরা সম্পর্কে দুই বোন। বিহারের সাহেবগঞ্জ থেকে ওই পাঁচটি কচ্ছপকে বস্তাবন্দী অবস্থায় দিল্লি - মালদা ফারাক্কা গ্রামী এক্সপ্রেস ট্রেনে করেই পাচার করা হচ্ছিল। কিন্তু তার আগেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে যায় মালদা টাউন স্টেশনে আরপিএফের কর্তব্যরত অফিসারেরা। এরপরই এদিন দুপুরে ট্রেনটি মালদায় ঢুকতেই একটি কামরা থেকে ওই দুই মহিলাকে বস্তাবন্দী কচ্ছপ সহ হাতে হাতে ধরে ফেলে।রেল পুলিশের প্রাথমিক জেরাই ওই দুই মহিলা পাচারকারী জানিয়েছেন , টাকার বিনিময়ে তারা এই কচ্ছপগুলি পাচার করছিল। মালদা থেকে দক্ষিণ দিনাজপুরের সীমান্ত এলাকায় তাদের যাওয়ার কথা ছিল । সেখানেই এই কচ্ছপগুলি হস্তান্তর করে দেওয়া হতো।পুলিশ জানিয়েছে , এই কচ্ছপ পাচারের ঘটনায় একটা বড় চক্র কাজ করছে। ওই দুই মহিলা পাচারকারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই অনেক রহস্য বেরিয়ে আসতে পারে। এর আগেও মালদা টাউন স্টেশনে বিভিন্ন ট্রেন থেকে বেআইনিভাবে কচ্ছপ পাচারের ঘটনা রুখে দেয় জিআরপি এবং আরপিএফ। এদিনের এই কচ্ছপ পাচারের ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বনদপ্তর জানিয়েছে, আরপিএফের পক্ষ থেকে উদ্ধার হওয়া পাঁচটি কচ্ছপ জেলা বনদপ্তর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সেই কচ্ছপগুলিকে আদিনা ডিয়ার ফরেস্টের জলাশয়ে ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২৩
কলকাতা

আজ থেকে কতদিন বন্ধ কলকাতার ‘মা’ উড়ালপুল! কেন এই জরুরি সিদ্ধান্ত?

কলকাতার মা উড়ালপুল এসএসকেএম, এজেসি রোড থেকে ইএম বাইপাসের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করেছে। কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত দীর্ঘ উড়ালপুল মা। এই উড়ালপুল একাধিক জায়গা খানাখন্দে ভরে গিয়েছে। যান চলাচলেও দীর্ঘদিন ধরে সমস্যা হচ্ছে। ফলে যানজটে জেরবার হচ্ছে অবস্থা। ফলে মা উড়ালপুলের সংস্কার কাজের প্রয়োজন রয়েছে। যা করতে উদ্যোগীও হয়েছিল কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভলপমেন্ট অথরিটি বা কেএমডিএ। কিন্তু, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কথা চিন্তা করে এতদিন তাতে অনুমতি দেয়নি কলকাতা পুলিশ। শেষমেশ কলকাতা পুলিশের ইস্ট ট্র্যাফিক গার্ডের অনুমোদন পেল কেএমডিএ। আজ রাত থেকেই মা উড়ালপুল মেরামতির কাজ শুরু হচ্ছে।কেএমডিএ সূত্রে খবর, আজ, মঙ্গলবার থেকে আগামী ৫ দিন রাত সাড়ে ১০টা থেকে পরের দিন সকাল ৭টা পর্যন্ত এই ব্যস্ত উড়ালপুলের সংস্কারের কাজ চলবে। এই সময় উড়ালপুলে যান চলচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখা হবে।মা উড়ালপুলের সংস্কার কাজ নিয়ে এর আগে কেএমডিএ-র আধিকারিকদের সঙ্গে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের কর্তাদেরও বেশ কয়েকবার বৈঠক হয়েছে। তারপরেই রফা সূত্র মেলে বলে খবর।কেএমডিএ সূত্রে খবর, শুধু মা উড়ালপুলের রাস্তা মেরামতির কাজই নয় একইসঙ্গে সিসিটিভি এবং কিছু বৈদ্যুতিন কাজও হবে এই পাঁচ দিন। জানা গিয়েছে, আগামী বৃহস্পতিবার রাতে মা ফ্লাইওভার থেকে রুবিগামী র্যাম্প এবং সায়েন্স সিটি থেকে উড়ালপুলে ওঠার র্যাম্পের কাজ হবে।

আগস্ট ০৮, ২০২৩
রাজনীতি

একবার নয়, একাধাকিবার লটারির পুরস্কার পেয়েছে অনুব্রতর পরিবার, নয়াতথ্যে বাড়ছে রহস্য

লটারি কাণ্ডের বিতর্ক কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না গরুপাচার কাণ্ডে ধৃত তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের। তৃণমূলের নানা স্তরের নেতৃত্ব ও আত্মীয়ের লটারিতে পুরস্কার পাওয়া নিয়েই চলছে বিতর্ক। বিরোধী দলনেতা একাধিকবার অভিযোগ করেছেন ডিয়ার লটারি তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে মিলিমিশে কেলেঙ্কারি চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে অনুব্রত মন্ডলের লটারিতে এক কোটি টাকা পাওয়া নিয়ে তদন্ত করতে গিয়ে আরও রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। তাঁর মেয়ের অ্যাকাউন্টেও লটারির টাকার হদিশ মিলেছে বলে সিবিআই সূত্রে খবর। এমনকী অনুব্রতর অ্যাকাউন্টেও আরেকটি লটারির টিকিট থেকে প্রাইজমানির টাকা জমা পড়েছিল বলে সূত্রের খবর। সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলি খতিয়ে দেখছে।এর আগে ডিয়ার লটারিতে ১ কোটি টাকা জিতেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল, এখবর প্রকাশ্যে এসেছিল। তার আগে নাকি ২০১৯ সালেও লটারি জিতেছিলেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি। সিবিআই সূত্রে খবর, অনুব্রতর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে জানা গিয়েছে তখন পেয়েছিলেন ১০ লক্ষ টাকা। পাশাপাশি অনুব্রতর কন্যা প্রাথমিক শিক্ষিকা সুকন্যা দুবার জিতেছেন লটারি। একবার ২৫ লক্ষ টাকা। অন্যবার জিতেছেন ২৬ লক্ষ। একাধিকবার তৃণমূল নেতা ও তাঁর মেয়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে লটারির টিকিট জেতার টাকা জমা পড়ায় সন্দেহ বেড়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার। এই লটারি জেতার মাধ্যে কালো টাকা সাদা হয়েছে কীনা তাই খতিয়ে দেখছে সিবিআই। তাছাড়া অনুব্রতর কোনও নিকট আত্মীয় বা বাড়ি কাজের লোকেদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা। সেই সব অ্যাকাউন্টেও লটারির জয়ের টাকা পড়তে পারে বলে সন্দেহ করছে সিবিআই। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ডিয়ার লটারি কতৃপক্ষের সঙ্গে তৃণমূল নেতৃত্বের আঁতাঁত নিয়ে সরব হয়েছিলেন। ডিয়ার (ভাইপো) লটারির বলে কটাক্ষও করেছেন তিনি। এদিকে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের বক্তব্য, লটারির খেলা চলে কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়মানুসারে। তৃণমূলের কে লটারির টিকিট পেয়ে পুরস্কার পেল কি পেল না তা নিয়ে বলার কিছু নেই। অনুব্রত মন্ডল ডিয়ার লটারির প্রথম পুরস্কার ১ কোটি টাকা জিতেছেন, তারপর তৃণমূল বিধায়ক বিবেক গুপ্তর স্ত্রী প্রথম পুরস্কার ১ কোটি টাকা জিতেছেন। এই সব ঘটনায় রহস্য বেড়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

নভেম্বর ০৮, ২০২২
রাজ্য

শতাধিক পাখি সহ দুই পাচারকারীকে গ্রেফতার করলো পুলিশ

ডাউন দানাপুর এক্সপ্রেসে প্রচুর সংখ্যায় টিয়াপাখি পাচার হচ্ছে এই খবর ছিল বনদপ্তরের কাছে। বনদপ্তরের বর্ধমান রেঞ্জ অফিসার কাজল বিশ্বাসের নেতৃত্বে নসদস্যের একটি দল ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ বর্ধমান স্টেশনে পৌঁছায়। শনিবার ভোর পাঁচটায় ট্রেনটি বর্ধমান স্টেশনে দাঁড়ালে দুই ব্যক্তি ব্যাগ সহ ট্রেন থেকে নামে। টিয়া পাখিগুলি ব্যাগের ভিতরে রাখা ছিল। তারা ট্রেন থেকে নামতেই পাকড়াও করে বনদপ্তরের কর্মীরা। ধৃত দুই পাচারকারীর নাম মহম্মদ আয়ুব ও ইব্রাহিম সেখ। তাদের বাড়ি বর্ধমান শহরের দুবরাজদিঘী আলুডাঙ্গা এলাকায়। টিয়াপাখিগুলি দানাপুর থেকে বর্ধমানে বিক্রির উদ্দ্যেশ্যে আনা হয়েছিল বলে বনদপ্তরের প্রাথমিক অনুমান। ধৃত দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে শনিবার আদালতে পেশ করা হয়। উদ্ধার হওয়া ১৮২ টি টিয়াপাখি বনদপ্তর নিজেদের হেফাজতে রেখেছে। আদালতের নির্দেশ এলে পাখিগুলির শারীরিক পরীক্ষা করে প্রকৃতিতে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে বনদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২২
রাজ্য

Banned Syrup: নিষিদ্ধ সিরাপসহ কাটোয়ায় ধৃত ভিন রাজ্যের দুই মাদক কারবারী

নিষিদ্ধ কোডাইন সিরাপ সহ পুলিশের হাতে ধরা পড়লো ভিনরাজ্যের দুই মাদক কারবারী। ধৃতদের নাম রাহুল কুমার ও আমিল হোসেন। আমিল হোসেনের বাড়ি বিহারের সিওয়ান জেলার গরিয়াকুঠি এলাকায়। অপর ধৃত রাহুল ঝাড়খণ্ডের বোকারো স্টিল সিটির বাসিন্দা। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার পুলিশ সোমবর রাতে টহলদারির সময় কাটোয়ার গাঙ্গুলিডাঙ্গার একটি কালভার্টের কাছ থেকে তাদের ধরে। পুলিশের দাবি, তল্লাশিতে ২ লিটার কোডাইন সিরাপ ভর্তি একটি বোতল যুবকদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়ার পরেই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা আন্তরাজ্য চুরি চক্রের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি ধৃত দুই যুবক মাদকের কারবারের সঙ্গেও জড়িত রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এইসব অপরাধ চক্রে ধৃতদের সঙ্গে আরও কারা কারা যুক্ত রয়েছে তা জানার চেষ্টা চলছে। পুলিশ ধৃতদের অপরাধ সংক্রাণ্ত অতীত রেকর্ড জানতে ঝাড়খন্ড ও বিহারের পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করছে। গ্রেপ্তার হওয়া দুই ধৃতকে মঙ্গলবার কাটোয়া মহকুমা আদালতে পেশ করা হয় ।তদন্তকারী অফিসার তাঁদের ৭ দিন পুলিশি হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। বিচারক ধৃতদের পুলিশি হেপাজত মঞ্জুর করেছেন।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
কলকাতা

অবৈধ অর্থ ভান্ডারের খোঁজে তৃণমূল নেতার সন্ধানে সিবিআই

কয়লা ও গরু পাচারকারীদের লিংক ম্যান বিনয় মিশ্রের অফিস ও বাড়িতে দিনভর তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই। বিনয় মিশ্র গরু পাচারকারী এনামুল ও কয়লার বেআইনি কারবারি অনুপ মাঝি ওরফে লালা এই দুজনেরই খুবই ঘনিষ্ঠ। সিবিআই তদন্তে তেমনি তথ্য উঠে আসে। বিনয় মিশ্রের নামে লুকআউট নোটিশও জারি করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। উল্লেখ্য, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন বিনয় মিশ্র। এই প্রথম সরাসরি তৃণমূলের কোনও নেতার নাম জড়িয়ে গেল গরু ও কয়লা পাচারচক্রে।সিবিআই সূত্রের খবর, এনামুল ও লালার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা পৌঁছে যেত বিনয় মিশ্রর কাছে। তদন্তকারীদের মতে, সম্ভবত সেই কালো টাকা ঘুরপথে বিদেশ থেকে ঘুরে সাদা টাকায় পরিণত হত। আবার কখনও ভুয়ো সংস্থার নামে ওই টাকা সাদা হতে সময় লাগত না। কিন্তু সেই টাকা কোথায়? অবৈধ টাকার ভান্ডারের সন্ধান খুঁজতেই সিবিআই তদন্ত শুরু করেছে। এদিন তল্লাশিতে বহু নথি উদ্ধার হলেও বিনয় মিশ্রের খোঁজ পায়নি সিবিআই।বেশ কিছু দিন ধরেই রাজ্য় রাজনীতি তোলপাড় গরু ও কয়লা পাচারচক্র নিয়ে। বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এই পাচার নিয়ে বিভিন্ন জনসভায় সরব হয়েছেন। কিন্তু এই প্রথম শাসকদলের কোনও নেতার কলকাতার তিনটে অফিস-বাড়িতে তল্লাশি চালাল সিবিআই। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালিয়েছে রাসবিহারী, চেতলা ও লেকটাইউনে। সিবিআইয়ের মাথা যন্ত্রনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তৃণমূলের এই যুব নেতা কয়লা ও গরুর টাকা কোথায় গচ্ছিত রেখেছেন তা নিয়ে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২০
রাজ্য

কুয়াশার দাপটে রাজ্যে ব্যহত ট্রেন ও বিমান চলাচল

ঘন কুয়াশার দাপটে মঙ্গলবার সকালে নগরজীবনকে রীতিমতো বেহাল করে দিল। কুয়াশার চাদর ঠেলে চলতে না পেরে থমকে গেল রেল ও বিমান পরিষেবা। দেরিতে চলল লোকাল ট্রেনও। ভুগতে হল আমজনতাকে। আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে, উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির জেরে এই পরিস্থিতি। এদিন সকাল থেকেই ঘন কুয়াশায় জনজীবন কার্যত ওলটপালট হয়ে গিয়েছে তামাম দক্ষিণবঙ্গে। রেল-বিমানসড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে। অনেক জায়গায় সকালে রীতিমতো ফগ লাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালাতে হয়েছে। একই দশা ট্রেনেরও। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কম থাকায় হাওড়া, শিয়ালদহ-সহ বিভিন্ন শাখায় রেলের চাকা গড়িয়েছে শামুকের গতিতে। কয়েকটি জায়গায় দূরপাল্লার ট্রেনকে দীর্ঘক্ষণ বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ প্রয়াত তৃণমূল বিধায়ক মৃগেন মাইতি কুয়াশার জেরে বিমান ওঠানামাও ব্যাহত। দৃশ্যমানতা কম থাকায় এই মুহূর্তে উঠছে না কোনও বিমান। কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ভোরের দিকে এতটাই ঘন ছিল কুয়াশার চাদর যে বাধ্য হয়ে চালকদের সব ইন্ডিকেটর জ্বালিয়ে গাড়ি চালাতে হয়েছে। অন্যদিকে জেলার ছবিটাও প্রায় একইরকম। মালদার ইংরেজবাজার, কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতেও দেখা গিয়েছে কুয়াশার পুরু আস্তরণ। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, পশ্চিমি ঝঞ্ঝার প্রভাবে বাতাসে রয়ে যাচ্ছে অতিরিক্ত জলীয় বাষ্প, যা কিনা ঠান্ডা আবহে কুয়াশার চেহারা নিচ্ছে। আবহাওয়াবিদদের কথায়, কুয়াশার পর্দা গাঢ় হলে একদিকে যেমন মেঘের মতো আস্তরণ তৈরি করে দেয়, তেমনই বাধা দেয় উত্তুরে হাওয়ার স্বাভাবিক আনাগোনাকে। দক্ষিণবঙ্গে এদিন এমনটাই হয়েছে। এদিন কলকাতার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের তিন ডিগ্রি বেশি।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

দুর্গাপুজোর আগেই আলোচনায় চোরবাগান! একই পুজোয় দু'বার খুঁটিপুজো কেন?

রথযাত্রার পর থেকেই দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের বহু পুজো কমিটি খুঁটিপুজো সেরে ফেলেছে। তবে কলকাতার এক ঐতিহ্যবাহী পুজো এবার অন্য কারণে আলোচনায়। চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজোয় একই বছরে দ্বিতীয়বার খুঁটিপুজোর আয়োজন করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় কৌতূহল তৈরি হয়েছে।পুজো কমিটির বর্তমান সম্পাদক রাজকুমার সেওদার দাবি, কয়েক বছর আগে ক্লাব সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, সেই সময় পুরসভার জমি দখল করে ক্লাব তৈরি করা হয়েছিল। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক নোটিস দেওয়া হলেও কোনও পরিবর্তন হয়নি। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর ওই কাঠামো ভাঙার জন্য নোটিস জারি করা হয় বলে তাঁর দাবি।রাজকুমার সেওদার আরও দাবি, সেই পরিস্থিতির মধ্যেই প্রথম খুঁটিপুজো করা হয়েছিল। তবে তাঁর মতে, প্রচলিত নিয়ম মেনে সেই খুঁটিপুজো হয়নি। সাধারণত নির্দিষ্ট দিক মেনে খুঁটিপুজো করা হয়। শিল্পীর পরামর্শ এবং ধর্মীয় নিয়ম মেনে তাই নতুন করে দ্বিতীয়বার খুঁটিপুজোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বর্তমান পুজো কমিটির আরও অভিযোগ, প্রথম খুঁটিপুজোর সময় মণ্ডপের দেওয়ালে এমন কিছু চিত্র ব্যবহার করা হয়েছিল, যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। এই অভিযোগের জন্য তাঁরা আগের কমিটির ভূমিকার সমালোচনা করেছেন। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের প্রতিক্রিয়া এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।এবার পুজো কমিটিতে একাধিক পরিবর্তন হয়েছে। নতুন শিল্পী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন সুশান্ত শিবানী পাল। মণ্ডপের মূল ভাবনা এখনও প্রকাশ করা হয়নি। উদ্যোক্তাদের আশা, এ বছরের আয়োজনও কলকাতার অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠবে এবং বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর সমাগম হবে।

জুলাই ২৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ঋতুস্রাব চলাকালীনই জীবনের সেরা পারফরম্যান্স! ভারতীয় ক্রীড়াবিদের কীর্তিতে গর্বিত দেশ

ভারতের ভারোত্তোলক জ্ঞানেশ্বরী যাদব কমনওয়েলথ গেমসে অসাধারণ পারফরম্যান্স করে রুপোর পদক জিতেছেন। শুধু পদকই নয়, এই প্রতিযোগিতায় তিনি নিজের কেরিয়ারের সেরা পারফরম্যান্সও করেছেন। পরে তিনি জানান, প্রতিযোগিতার দিনই তাঁর ঋতুস্রাবের প্রথম দিন ছিল। সেই শারীরিক অস্বস্তির মধ্যেও তিনি দেশের জন্য লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন।মহিলাদের তিপ্পান্ন কেজি বিভাগে নেমে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী দেখায় জ্ঞানেশ্বরীকে। স্ন্যাচ বিভাগে তিনি প্রথমে আটাশি কেজি এবং পরে তিরানব্বই কেজি ওজন তোলেন। এই তিরানব্বই কেজি ছিল প্রতিযোগিতায় নতুন রেকর্ড। এরপর ক্লিন অ্যান্ড জার্ক বিভাগে তিনি একশো তিন, একশো চার এবং শেষ প্রচেষ্টায় একশো এগারো কেজি ওজন সফলভাবে তোলেন। সব মিলিয়ে তিনি মোট একশো নিরানব্বই কেজি ওজন তুলে রুপোর পদক নিশ্চিত করেন। সোনার লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত নাইজেরিয়ার প্রতিযোগীর কাছে পিছিয়ে পড়লেও তাঁর পারফরম্যান্স প্রশংসা কুড়িয়েছে।পদক জয়ের পর জ্ঞানেশ্বরী জানান, প্রতিযোগিতার দিনই তাঁর ঋতুস্রাব শুরু হয়েছিল। তিনি বলেন, শরীর কতটা সাড়া দেবে, তা নিয়ে তাঁর সংশয় ছিল। তবুও তিনি নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছেন এবং নিজের সেরা পারফরম্যান্স করতে পেরেছেন।জ্ঞানেশ্বরীর এই লড়াই শুধু একটি পদক জয়ের গল্প নয়, মানসিক দৃঢ়তা এবং আত্মবিশ্বাসেরও এক অনন্য উদাহরণ। শারীরিক অস্বস্তিকে উপেক্ষা করে দেশের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করার এই ঘটনা বহু তরুণীর কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি চিনের এক মহিলা ম্যারাথন দৌড়বিদও ঋতুস্রাব চলাকালীন প্রতিযোগিতা শেষ করে আলোচনায় এসেছিলেন। জ্ঞানেশ্বরীর এই সাফল্যও দেখিয়ে দিল, শারীরিক স্বাভাবিক পরিবর্তন কোনও নারীর স্বপ্ন বা সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।

জুলাই ২৯, ২০২৬
দেশ

গাড়ির মাইলেজ নিয়ে সব বিতর্কের মাঝেই বড় ঘোষণা! সংসদে স্পষ্ট জানাল কেন্দ্র

ইথানল মিশ্রিত পেট্রল ব্যবহার করলে গাড়ির মাইলেজ কমে যায় এবং ইঞ্জিনের ক্ষতি হয় এমন অভিযোগ গত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন মহলে উঠেছে। এবার এই বিতর্ক নিয়ে সংসদে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নীতীন গড়করি। তিনি জানিয়েছেন, সরকারি পরীক্ষায় এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি যে ইথানল মিশ্রিত পেট্রল ব্যবহারের ফলে ইঞ্জিন বিকল হয় বা মাইলেজ কমে যায়।লোকসভায় লিখিত উত্তরে কেন্দ্র জানিয়েছে, ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি নিয়ে একাধিক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, পরীক্ষাগারভিত্তিক বিশ্লেষণ এবং বাস্তব পরিস্থিতিতে দীর্ঘ সময় ধরে পরীক্ষা করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়েও এই জ্বালানি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই সব পরীক্ষায় গাড়ির ইঞ্জিনের ক্ষতি বা মাইলেজ কমে যাওয়ার কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে সরকারের দাবি।এর আগে এক সাংবাদিক দাবি করেছিলেন, সরকার নির্ধারিত ইথানল মিশ্রিত পেট্রল ব্যবহার করার পর তাঁর গাড়ির মাইলেজ অনেকটাই কমে গিয়েছে। সেই প্রসঙ্গে নীতীন গড়করি বলেছিলেন, সাধারণভাবে গাড়ির মালিকেরা নিজেরা সঠিকভাবে মাইলেজ পরিমাপ করতে পারেন না। তাঁর মতে, অনুমোদিত পরিষেবা কেন্দ্রের নির্দিষ্ট যন্ত্রের মাধ্যমে পরীক্ষা করলেই প্রকৃত ফল জানা সম্ভব।কেন্দ্রের দাবি, কয়েক বছর ধরে দুই চাকা ও চার চাকার বিভিন্ন গাড়িতে এই জ্বালানির ব্যবহার পরীক্ষা করা হয়েছে। সেই পরীক্ষায় মাইলেজ কমে যাওয়া বা ইঞ্জিনের ক্ষতির কোনও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।অন্যদিকে, সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ইথানল মিশ্রিত পেট্রল নিয়ে এখনও অনেক গাড়ির মালিকের মধ্যে সংশয় রয়েছে। সমীক্ষা অনুযায়ী, অনেকেই মনে করছেন এই জ্বালানি ব্যবহার করলে গাড়ির মাইলেজ কমতে পারে। যদিও এই আশঙ্কার সঙ্গে একমত নয় কেন্দ্র। সরকারের বক্তব্য, বর্তমান পর্যন্ত হওয়া বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার ফলাফলে এমন কোনও অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়নি।

জুলাই ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ইসকনের রান্না, কিন্তু পড়ুয়াদের পাতে থাকবে ডিম! বড় সিদ্ধান্তে চমক

আগামী ১ আগস্ট থেকে রাজ্যের সরকারি স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। খাবার পরিবেশনের দায়িত্ব থাকবে ইসকনের হাতে। তবে এই সিদ্ধান্তের ফলে পড়ুয়াদের ডিম থেকে বঞ্চিত হতে হবে না বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, ইসকনের দেওয়া নিরামিষ খাবারের পাশাপাশি আলাদা করে পড়ুয়াদের সেদ্ধ ডিম দেওয়া হবে।বুধবার নবান্নে সরকারি স্কুলগুলির জন্য একাধিক ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, এতদিন প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্তরে মিড ডে মিলের বরাদ্দে পার্থক্য ছিল। সেই বৈষম্য দূর করে এখন থেকে প্রাথমিক স্তরেও মাথাপিছু দশ টাকা বরাদ্দ করা হবে। আগামী ১ আগস্ট থেকেই নতুন এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ইসকন পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত নিরামিষ খাবার পরিবেশন করবে। পাশাপাশি পড়ুয়াদের প্রয়োজনীয় প্রোটিনের কথা মাথায় রেখে আলাদা করে সেদ্ধ ডিম দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সপ্তাহে এক দিন বা দুই দিন ডিম দেওয়া হবে বলে সরকার জানিয়েছে।এর আগে কলকাতার কয়েকটি স্কুলে পরীক্ষামূলকভাবে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। এবার সেই প্রকল্প রাজ্যের অন্যান্য জেলার সরকারি স্কুলেও চালু করা হবে। ইসকনকে মিড ডে মিলের দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে নিরামিষ খাবার এবং প্রোটিনের ঘাটতি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। নতুন ঘোষণার পর সেই বিতর্ক অনেকটাই প্রশমিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।এ দিন মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, মিড ডে মিল রান্নার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের মাসিক ভাতা দুই হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে তিন হাজার টাকা করা হচ্ছে। আগামী ১ আগস্ট দুপুর বারোটায় এই নতুন প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে।

জুলাই ২৯, ২০২৬
রাজ্য

বেতন, ডিএ, পেনশন— সবকিছুর আগে বড় রদবদল সপ্তম বেতন কমিশনে

রাজ্য সরকারের সপ্তম বেতন কমিশনে বড় পরিবর্তন করা হয়েছে। কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে অতনু চক্রবর্তীর পরিবর্তে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন আইএএস অফিসার নবীন প্রকাশকে। তবে চেয়ারম্যান পরিবর্তন হলেও কমিশনের কাজের পরিধি, শর্ত এবং নীতিতে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি।গত বাইশ জুলাই রাজ্য সরকার সপ্তম বেতন কমিশনের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছিল। তখন জানানো হয়েছিল, অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার এবং অর্থমন্ত্রকের প্রাক্তন সচিব অতনু চক্রবর্তী কমিশনের চেয়ারম্যান হবেন। কিন্তু মাত্র আট দিনের মধ্যেই সেই সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন নবীন প্রকাশ।রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন বেতন কমিশন এবং মহার্ঘ ভাতা নিয়ে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। সেই প্রেক্ষিতে নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে সরকারি কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা করা হয়। অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত মহার্ঘ ভাতা এক ধাক্কায় কুড়ি শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা করেন। একই দিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, খুব দ্রুত সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করা হবে। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কমিশন গঠন করা হয়েছে।এই কমিশনের দায়িত্ব হবে সরকারি, সরকার পোষিত এবং আধা সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামো, পদোন্নতি, পেনশন এবং মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত সুপারিশ করা। এছাড়া পেনশনভোগীদের ভাতা বৃদ্ধির বিষয়ও কমিশন পর্যালোচনা করবে।রাজ্য সরকার কমিশনকে আগামী ছয় মাসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশ করার আগে একই পদে কর্মরত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামোও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে নতুন বেতন কাঠামোর অপেক্ষায় থাকা রাজ্য সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

জুলাই ২৯, ২০২৬
রাজ্য

মাত্র তিন মাসে ফের মৃত্যু! খড়্গপুরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যাপকের ঝুলন্ত দেহ ঘিরে চাঞ্চল্য

খড়্গপুরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফের এক অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে আবারও ক্যাম্পাসে মৃত্যু ঘিরে উদ্বেগ বাড়ল। এবার এক অধ্যাপকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে কর্মী আবাসন থেকে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত অধ্যাপকের নাম দীপক রেড্ডি। তাঁর বয়স পঁচিশ বছর। তিনি বিদ্যুৎ প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। তাঁর বাড়ি হায়দরাবাদে। বুধবার ক্যাম্পাসের কর্মী আবাসনের একটি ঘর থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই আবাসনে তিনি একাই থাকতেন। কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন কি না, সেই দিক-সহ সমস্ত সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।উল্লেখ্য, চলতি বছরের এপ্রিল মাসেও একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুই ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল। প্রথমে এক তৃতীয় বর্ষের ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসে। পরে আর এক ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় হস্টেল থেকে। সেই ঘটনাগুলি নিয়ে তদন্ত এখনও বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।পরপর এই ধরনের মৃত্যুর ঘটনায় ক্যাম্পাসে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে বর্তমান ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনও পুলিশ বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কোনও চূড়ান্ত বক্তব্য জানানো হয়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।

জুলাই ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ট্রাঙ্ক খুলতেই চোখ কপালে! কোটি কোটি টাকা আর তাল তাল সোনা উদ্ধারে তোলপাড় বীরভূম

বীরভূমের মহম্মদবাজারে এক পাথর ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও সোনা উদ্ধারের দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার অভিযানে একটি ট্রাঙ্ক থেকে বিপুল সম্পদ উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া সোনার মূল্য দশ কোটিরও বেশি এবং নগদ টাকার পরিমাণ পাঁচ কোটিরও বেশি বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই অঙ্কের সরকারি নিশ্চিতকরণ এখনও সামনে আসেনি।স্থানীয় সূত্রের দাবি, মঙ্গলবার গভীর রাতে বিশাল পুলিশ বাহিনী ব্যবসায়ী মিনার মণ্ডলের বাড়ি ঘিরে ফেলে। এরপর শুরু হয় দীর্ঘ তল্লাশি অভিযান। সেই সময় বাড়ির ভিতর থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার হয় বলে জানা যায়। এই বিপুল অর্থের উৎস কী, তা জানতে মিনার মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা।স্থানীয়দের দাবি, মিনার মণ্ডল এক সময় সরকারি বাসের চালক ছিলেন। পরে তিনি পাথর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হন। ধীরে ধীরে এই ব্যবসাতেই সক্রিয় হয়ে ওঠেন বলে এলাকায় প্রচলিত ধারণা।ঘটনাস্থলে এখনও পুলিশ এবং পদস্থ আধিকারিকরা রয়েছেন। তবে কোন মামলার ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়েছে এবং এই বিপুল সম্পদের সঙ্গে অন্য কোনও বেআইনি কর্মকাণ্ডের যোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। ফলে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্তের দিকেই নজর রয়েছে।এই ঘটনার পর এলাকায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এত বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও সোনা দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে থাকলে তা আগে নজরে এল না কেন, সেই প্রশ্নও তুলছেন অনেকে। তবে এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি মন্তব্য সামনে আসেনি। তদন্ত শেষ হলে তবেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন। সেই পোস্ট ঘিরেও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ২৯, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর আগেই বেতন, সঙ্গে ২০% অতিরিক্ত ডিএ! উৎসবের মরশুমে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বড় সুখবর

পুজোর আনন্দের আগেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় ঘোষণা। উৎসবের মরশুম শুরু হওয়ার আগেই অক্টোবর মাসের বেতন হাতে পাওয়ার পাশাপাশি মিলবে অতিরিক্ত ২০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা (ডিএ)। মঙ্গলবার ভবানী ভবনে আয়োজিত এক সরকারি কর্মসূচিতে এমনই বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।এতদিন পর্যন্ত রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অক্টোবর মাসের বেতনের সঙ্গে বর্ধিত ডিএ পাওয়ার কথা ছিল নভেম্বর মাসে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর নতুন ঘোষণায় সেই সময়সীমা এগিয়ে আনার ইঙ্গিত মিলেছে। অর্থাৎ, পুজোর মাসে উৎসবের আগেই সরকারি কর্মচারীদের হাতে পৌঁছতে পারে অক্টোবরের বেতন এবং ঘোষিত অতিরিক্ত ডিএ।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এ বিষয়ে ইতিমধ্যেই অর্থসচিব এবং অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তাঁর নির্দেশ, পুজোর মাসে যাতে কর্মচারীরা উৎসবের আগেই অক্টোবর মাসের বেতন পান এবং একই সঙ্গে ঘোষিত ২০ শতাংশ অতিরিক্ত ডিএ-ও তাঁদের দেওয়া যায়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে।সরকারি কর্মচারীদের ডিএ-র প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতার যে ব্যবধান রয়েছে, তা একসঙ্গে পূরণ করা সম্ভব নয়। ধাপে ধাপে সেই ব্যবধান কমানোর লক্ষ্যেই সরকার এগোচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিনের এই ব্যবধান একদিনে মেটানো সম্ভব নয়, তবে কর্মচারীদের বিষয়টি সরকারের নজরে রয়েছে।চলতি বছর বিধানসভা নির্বাচনের সময় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ-র ব্যবধান ছিল ৪২ শতাংশ বলে দাবি করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে রাজ্য বাজেটে অর্থমন্ত্রী ২০ শতাংশ অতিরিক্ত ডিএ দেওয়ার ঘোষণা করেন। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অক্টোবর মাসের বেতনের সঙ্গে নভেম্বর মাসে বর্ধিত ডিএ দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে মুখ্যমন্ত্রীর মঙ্গলবারের ঘোষণায় সেই অর্থপ্রদানের সময় এগিয়ে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।ফলে পুজোর আগে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের হাতে একসঙ্গে বেতন ও বর্ধিত ডিএ পৌঁছলে উৎসবের মরশুমে তাঁদের আর্থিক স্বস্তি অনেকটাই বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে পুজোর আগে বাড়তি খরচের সময়ে এই অতিরিক্ত অর্থ কর্মচারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।তবে শুধু ডিএ নয়, সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবিবেতন কমিশন নিয়েও এদিন সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, অন্যান্য রাজ্যে অষ্টম বেতন কমিশন চালুর প্রক্রিয়া শুরু হলেও রাজ্যে এখনও সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর হয়নি। সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করা হয়েছে। কমিশনের রিপোর্ট সরকারের হাতে এলেই তা কার্যকর করার বিষয়ে পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।ফলে একদিকে পুজোর আগেই অক্টোবরের বেতন ও ২০ শতাংশ অতিরিক্ত ডিএ পাওয়ার সম্ভাবনা, অন্যদিকে সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করার আশ্বাসদুই ঘোষণাকে ঘিরেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। এখন নজর থাকবে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী পুজোর আগেই বেতন ও বর্ধিত ডিএ প্রদানের বিষয়ে অর্থ দফতর কী নির্দেশিকা জারি করে।

জুলাই ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal